Bangladesh
This article was added by the user . TheWorldNews is not responsible for the content of the platform.

বাউফলে চাঁদাবাজি মামলার প্রতিবাদে মুসল্লিদের মানববন্ধন

বাউফলে চাঁদাবাজি মামলার প্রতিবাদে মুসল্লিদের মানববন্ধন

পটুয়াখালীর বাউফলে মসজিদ কমিটির সভাপতি পদ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে আপন দুই ভাইসহ মুসল্লিদের নামে চাঁদাবাজি মামলার প্রতিবাদে মানবন্ধন করেছেন মসজিদে আসা মুসল্লিরা।

শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জুমা নামাজ শেষে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের পূর্ব ভরিপাশা গ্রামে হাজী কোরবান আলী জামে মসজিদের সামনে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে সভাপতি ও মুসুল্লীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা প্রত্যাহারের দাবি করে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় বাসিন্দা ও ওই মসজিদের মুসল্লি মো. গিয়াস উদ্দিন, খলিল খান, আল-আমিন, সাইদুল, আফজাল হাওলাদার, মনির আলম, ফিরোজ আলম ও মহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, ঢাকার দোহারের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মনির আলম মসজিদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মসজিদ উন্নয়নে অনুদারের কথা বলে কয়েকজন মুসল্লির স্বাক্ষর নেন উপজেলার কলিশুরী কলেজের চাকরিচ্যুত অধ্যক্ষ মো. মাহবুব আলম। সম্পর্কে তারা আপন ভাই। স্বাক্ষর নেয়াকে কেন্দ্র করে মাহবুব আলমের সাথে মুসল্লিদের কথা কাটাকাটি হয়।

কথা কাটাকাটির জের ধরে গত ৮ জুন পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ আলম, তার আপন দুই ভাই মনির আলম ও মহিরুল ইসলামসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকার চাঁদাবাজি দাবির অভিযোগ করেন। মামলার অভিযোগে উল্লেখিত ঘটনার দিন আসামিরা এলাকায়ই ছিলেন না। তবুও তাদের আসামি করা হয়েছে।

আদালত বাদীর অভিযোগ আমলে নিয়ে পিআইবিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। এর আগে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ সরেজমিন তদন্তে সত্যতা না পাওয়ায় মামলা রুজু করেনি।

এদিকে চাঁদাবাজি মামলার প্রতিবাদে মুসল্লিদের মানববন্ধনে বাধা দেয়ার চেষ্টা করেন মাহবুব আলম ও তার সগযোগী দুলাল হাওলাদার। এ সময় তিনি মানববন্ধনে অংশ নেয়া মুসল্লি ও সংবাদ সংগ্রহে থাকা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আরও চাঁদাবাজি মামলার হুমকি দেন।

এ বিষয়ে মাহবুব আলমের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে কল করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

কেএমএল