logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo
star Bookmark: Tag Tag Tag Tag Tag
Bangladesh

বর্ষায় নিজেকে সুস্থ রাখার কিছু উপায়

এই মেঘ, এই বৃষ্টি নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে পুরোপুরি বর্ষাকাল। একনাগাড়ে বৃষ্টি। বাড়ি থেকে বেরোনোই যায় না। বাড়িতে বসে বৃষ্টি দেখা যতটা মনোরঞ্জক, ততটাই বিরক্তিকর কাদা প্যাচপ্যাচে রাস্তায় বৃষ্টির মধ্যে কাজে যাওয়া। কিন্তু না গেলেও উপায় নেই। ঝড়-বৃষ্টি , গরম , শীত সবের মধ্যেও কাজ তো করতেই হবে। বর্ষাকাল মনোরম হলেও, এই সময়ে বিভিন্ন অসুখ দেখা যায়। ইনফেকশন, অ্যালার্জি, বদহজম, এছাড়া আরও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা মানুষ এই সময়ে ভোগেন। তাহলে জেনে নিন কীভাবে বর্ষাকালে অসুখের হাত থেকে রক্ষা পাবেন আর কীভাবে সুস্থ থাকবেন।

যাদের বৃষ্টির পানিতে ভিজলে ঠাণ্ডায় অসুস্থ হওয়ার সমস্যা থাকে, তাদের বৃষ্টিতে ভেজা থেকে দূরে থাকতে হবে। যদি বৃষ্টিতে ভিজে যান তাহলে যত দ্রুত সম্ভব ভেজা স্থান শুকিয়ে নিতে হবে। ভেজা কাপড় তাড়াতাড়ি পাল্টে নিতে হবে। বৃষ্টির পানি শরীরের যেখানেই লাগুক পরিষ্কার পানি ও সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

বর্ষাকালে যে রোগ বেশি দেখা দেয় তা হলো সর্দি-কাশি বা জ্বর। সাধারণত সর্দি-কাশি, ভাইরাস জ্বর দু-এক দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। বেশি প্রয়োজন হলে প্যারাসিটামল-জাতীয় ট্যাবলেট খেলে কাজ হবে। জ্বর কয়েক দিন স্থায়ী হলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে।

বর্ষায় যেসব রোগ হয় তা সাধারণত পানিবাহিত। অবশ্যই পানি ফুটিয়ে, ছেঁকে পান করতে হবে। গোসল, অজু, কুলি করা, হাত-মুখ ধোয়া, থালাবাসন ধোয়া, কাপড় ধোয়া ও রান্নার কাজে ব্যবহৃত পানি বিশুদ্ধ পরিষ্কার হতে হবে।

যাদের অ্যাজমা বা সাইনাসের সমস্যা আছে, তাদের একটু বে+শি সতর্ক থাকতে হবে। শরীর ভেজা রাখা যাবে না। স্যাঁতসেঁতে ঘরে থাকা যাবে না। প্রচুর আলো-বাতাস আসে এমন ঘরে বাস করতে হবে।

বর্ষায় সাধারণত চর্মরোগ বেশি হয়। চর্মরোগ থেকে বাঁচতে অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। হাত ও পায়ের নখ পরিষ্কার রাখা জরুরি। অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

সকালে ঘুম থেকে উঠে কুসুম গরম পানির সাথে মধু খেলে সারা দিন শরীর চাঙ্গা থাকবে। এছাড়া গোসলের সময় হালকা গরম পানি ব্যবহার করা যেতে পারে।

বর্ষায়ও প্রচুর ঘাম হয়ে থাকে। এ থেকে মুক্তি পেতে ঘাম হলেই মুছে ফেলতে হবে। ঘামের কারণে অনেকের পায়ের মোজা থেকে গন্ধ বের হয়। এর জন্য বারবার মোজা বদলে ফেলতে হবে। সুতি মোজা পরতে হবে। মোজা পরার আগে পায়ে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে গন্ধ কিছুটা কমবে। এ ছাড়া ভেজা পা যত দ্রুত সম্ভব শুকিয়ে ফেলতে হবে।

বর্ষায় শহরাঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। এ সময় ডেঙ্গু যেন না ছড়ায় সে জন্য বাসার আশপাশে যেসব জলাধার বা পানি জমে এমন পাত্র সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে। ঘরের দেয়ালে যেন পানি পড়ে ফাঙ্গাস না জন্মায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ঘর যাতে স্যাঁতসেঁতে হয়ে না থাকে সে ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ এ থেকে রোগবালাই হয় বেশি।

বর্ষায় গ্রামাঞ্চলে পোকামাকড়, সাপ ও জোঁকের উৎপাত বেশি হয়, সে কারণে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে

কিছু টিপস:

১.ফ্রেস খাবার খান। বাড়িতে তৈরি গরম, স্বাস্থ্যকর খাবার খান। বাইরের খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

২. তরল খাবার খান। জল ফুটিয়ে ঠান্ডা করে খান।

৩. এই সময়ে ভাজাভুজি যতটা সম্ভব কম খান। নাহলে হজমের গোলমাল দেখা দিতে পারে।

৪. নিয়মিত ওষুধ খান। হাঁপানির রোগীরা কখনওই ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেবেন না, যতক্ষণ না চিকিত্‌সক বলছেন।

৫. পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুন। ঘর-বাড়ি বিশেষ করে বাথরুম সবসময় পরিচ্ছন্ন রাখুন। এবং খাওয়ার আগে ও পরে ভালো করে হাত মুখ ধোবেন।

ইসি/

All rights and copyright belongs to author:
Themes
ICO