Bangladesh

মিয়ানমারে আবারও বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলিবর্ষণ, নিহত ৬

সরকারি বাহিনীর দমনপীড়নের মধ্যেই মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। বুধবারও দেশটির বিভিন্ন স্থানে রাজপথে নেমে আসে আন্দোলনকারীরা। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদুনে গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি নিরাপত্তা বাহিনী। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালায় সরকারি বাহিনী। এতে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছে।

মইঙ্গিয়ান শহরে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবদ্ধ হয়ে অন্তত চার জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত  হয়েছে কমপক্ষে আরও ১০ জন।

দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মান্দালয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে আরও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। সেখানে আহত হয়েছে অন্তত ৯ জন।

মইঙ্গিয়ান শহরের একজন স্বেচ্ছাসেবী চিকিৎসক জানিয়েছেন, সেখানে বিক্ষোভকারীদের ওপর টিয়ার গ্যাস, রাবার বুলেট ও তাজা গুলিবর্ষণ করে নিরাপত্তা বাহিনী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন চিকিৎসক জানিয়েছেন, মান্দালয়ে নিহত দুই জনের মধ্যে একজনের মাথায় গুলির আঘাত লেগেছে। অন্যজনের বুকে গুলি লেগেছে।

দেশের বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুনসহ অন্যান্য শহরেও রাজপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে সু চি সমর্থকরা।

এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারির সরকারি বাহিনীর গুলিতে নিহত হয় অন্তত ২১ বিক্ষোভকারী। এদিকে দেশজুড়ে তীব্র বিক্ষোভ এবং আন্দোলনকারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর মাত্রাতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত হওয়ায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে দেশটির জান্তা সরকার। এরইমধ্যে বার্তা সংস্থা এপি-র একজন ফটোগ্রাফারসহ অন্তত অর্ধডজন সাংবাদিককে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকেই নিয়মিতভাবে বিক্ষোভকারীদের ওপর চড়াও হচ্ছে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী। তবে ২৮ ফেব্রুয়ারির পর ৩ মার্চ বুধবার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে মঙ্গলবার মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। তবে তারা সর্বসম্মতভাবে সু চি-র মুক্তি বা গণতন্ত্র পুনর্বহালের মতো কোনও দাবি জানাননি। সূত্র: ফ্রান্স ২৪, রয়টার্স।

Football news:

What did we learn about Super League on Monday? Bayern and Borussia will not be there, the players and coaches have not been told anything
Milner on Super League: The players do not have the right to vote. The current system is very good
Leeds striker Bamford on Super League: This is wrong, we are in shock. The noise is startling. Sorry it doesn't work that way with racism
Klopp on Liverpool in the Super League: I'm used to the owners making decisions without me. I feel responsible for the club's relationship with the fans
Non-Super League clubs are promised 400 million euros in solidarity payments. From the Champions League they receive 140 million
Milner on Super League: I don't like it. I hope it won't happen
Leeds tweet about 1-1 with Liverpool: Equalized in the match against a Super League team in the end