Bangladesh

আলোচিত ১০ স্কুল প্রকল্পে ৩শ কোটি টাকা লোপাটের প্রমাণ পায়নি মন্ত্রণালয়

শিক্ষা মন্ত্রণালয়তিনশ কোটি টাকা দুর্নীতি নিয়ে বহুল আলোচিত ঢাকা শহরের নিকটবর্তী এলাকায় ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ হয়নি। আর এতে সরকারের আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনাও ছিল না। তবে সম্ভাব্য প্রাক্কলন অতিরিক্ত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে এ বিষয়টি উঠে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত প্রতিবেদনে আত্মসাৎ হয়নি উল্লেখ করা হলেও প্রতিবেদনের কারণে প্রকল্প পরিচালককে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
প্রকল্পটিতে ‘৩০০ কোটি টাকা লোপাটের আয়োজন করা হয়েছে’ মর্মে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পর তদন্ত কমিটি গঠন করে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক) মো. মোমিনুর রশিদ আমিনকে সভাপতি করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কমিটির দুই সদস্য হলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশান উইং) অধ্যাপক মো. আমির হোসেন এবং পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের অডিট কর্মকর্তা মো. ফরিদ উদ্দিন। তদন্তের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে সম্প্রতি প্রতিবেদন জমা দেন অতিরিক্ত সচিব মো. মোমিনুর রশিদ আমিন। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্ত কমিটির সদস্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশান উইং) অধ্যাপক মো. আমির হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ের জমা দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পে কোনও আর্থিক দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ হয়নি, শুধু অনুমান ছিল। এছাড়া আর্থিক দুর্নীতি হওয়ার সম্ভাবনাও ছিল না।  আরডিপিপি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কোনও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। আমরা সুপারিশ করেছি ভবিষ্যতে যাতে প্রকল্প পরিচালক ভালোভাবে প্রাক্কলন যাচাই করেন।’

তদন্ত প্রতিবেদনের সরেজমিন পরিদর্শন, কাগজপত্র বিশ্লেষণ অংশে মূল অভিযোগ তুলে ধরা হয়। ছয়টি প্রকল্পে গাছপালা ও অবকাঠামো (যদি থাকে) উল্লেখ করে বরাদ্দ বেশি ধরা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয় তদন্ত প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনের এই অংশে আরও বলা হয়, ‘যদিও টাকাটি এখনও খরচ হয়নি বা একেবারে সরকারের আর্থিক কোনও ক্ষতি হয়নি। তবে যেকোনও দুর্নীতির শুরু হয় প্রাক্কলন তৈরির সময় থেকে। অর্থাৎ সঠিকভাবে চিহ্নিত না হলে বা ধরা না পড়লে এই টাকা যেকোনও চ্যানেলে সময়ের পরিক্রমায় সিন্ডিকেট কর্তৃক আত্মসাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।’

তদন্ত প্রতিবেদনের ১০ নম্বর অধ্যায়ে আরও বলা হয়,  ‘‘সার্বিক দিক বিবেচনায় দেখা যায় যে, ঢাকা সন্নিকটবর্তী ১০টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির ৬টি প্রকল্পে মধ্যে শুধুমাত্র গাছপালা ও অবকাঠামো ‘যদি থাকে’ উল্লেখ করে কম করে হলেও প্রায় ১০১ কোটি টাকার উপরে অতিরিক্ত প্রাক্কলন করা হয়েছে এবং নারায়ণগঞ্জের একটি প্রকল্পে নালা শ্রেণি, ভিটি শ্রেণি হিসেবে হিসেবে দেখিয়ে প্রায় ২৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা বেশি ধরা হয়েছে। অর্থাৎ প্রাথমিক তদন্তে শুধু এই খাতে অতিরিক্ত ১২৫ কোটি টাকার মতো সম্ভাব্য প্রাক্কলন প্রস্তুত করা হয়েছে যা নৈতিকতা বিবর্জিত।”

উল্লেখ্য, আরডিপিতে জমির প্রাক্কলন করেছে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর (ইইডি)। তাদের জমা দেওয়া প্রাক্কলনের ভিত্তিতে সম্ভাব্য বায় বরাদ্দ অনুযায়ী আরডিপিপি প্রস্তুত করছেন প্রকল্প পরিচালক।

প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধান্ত

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, জমির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় গত বছর ২১ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় ভূমি অধিগ্রহণ ম্যানুয়াল অনুসারে জমির মূল্য বৃদ্ধি করা হয় দেড় থেকে ৩ গুণ। এতে বলা হয়, ডিপিপি’তে বরাদ্দ করা অর্থের ঘাটতি প্রায় ৪০০ কোটি টাকা হতে পারে। ইতোমধ্যে অধিগ্রহণ/বন্দোবস্ত পাওয়া জমির মূল্য বিবেচনা করে অবশিষ্ট জমির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় প্রাক্কলন এবং সংশোধিত ডিপিপিতে (আরডিপিপিতে) তা প্রতিফলন ঘটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সভায়। সভার ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিপিপি সংশোধন করে আরডিপিপি প্রস্তুত করতে অবশিষ্ট জমির জন্য প্রাক্কলন চাওয়া হয় ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের কাছে।  দুই জেলার পাঠানো সম্ভাব্য ব্যয়ের প্রাক্কলন নিয়ে প্রস্তুত করা হয় আরডিপিপি।

প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আমিরুল ইসলাম প্রাক্কলনের বিপরীতে আরডিপিপি প্রস্তুত করেন। এরপর গত বছর ১৫ সেপ্টেম্বর প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনসহ খসড়া আরডিপিপি মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য জমা দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক বরাবর। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক কোনও সংশোধন ও পরিমার্জন ছাড়াই আরডিপিপি স্বাক্ষর করে তা পাঠান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে।

মহাপরিচালকের স্বাক্ষরেই পাঠানো হয় আরডিপিপি

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখা জানায়, নিয়মানুযায়ী প্রকল্প পরিচালকের পাঠানো আরডিপিপি যাচাই করে মহাপরিচালকের অনুমোদন নিয়ে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।  মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিকল্পনা শাখা থেকে আরডিপিপির ফরমেট ঠিক আছে কিনা, ডিপিপি অনুসরণ করা হয়েছে কিনা, ভূমি অধিগ্রহণের প্রাক্কলন জেলা প্রশাসনের পাঠানো কিনা এবং ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত প্রাক্কলন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের পাঠানো কিনা তা যাচাই করে আরডিপিপিতে প্রতিস্বাক্ষর করে পাঠানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ে। উল্লেখ্য, আরডিপিপিতে প্রকল্প পরিচালক, পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এবং মহাপরিচালকেরও স্বাক্ষর রয়েছে।

পরিকল্পনা শাখার এখতিয়ার ও কার্যক্রম

প্রাক্কলন সঠিক কিনা তা যাচাই করার এখতিয়ার নেই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখার। কারণ প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে প্রাক্কলন করেছে জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর। আর প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব।

এছাড়া প্রস্তাবিত আরডিপিপি শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা কমিশনের বিশেষজ্ঞ কমিটির সভায় ধাপে ধাপে পর্যালোচনা ও সংশোধিত হয়ে অনুমোদনের জন্য একনেকে তোলা হয়ে থাকে। আরডিপিপিতে আগে প্রস্তাবিত আনুমানিক ব্যয়ের ভিত্তিতে ভূমি অধিগ্রহণের কোনও সুযোগ নেই। এমন কী প্রকল্প দলিল একনেক চূড়ান্ত অনুমোদনের পরও ভূমি অধিগ্রহণের সময় আইন অনুযায়ী নতুন করে প্রকৃত ব্যয় নিরূপণ করতে হবে।  এসবের কিছুই হয়নি।

ভূমি চিহ্নিতকরণ  সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য অতিরিক্ত সচিবের (উন্নয়ন) সভাপতিত্বে ৮ সদস্যবিশিষ্ট ‘জমি চিহ্নিতকরণ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি রয়েছে। ওই কমিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণে সাইট নির্বাচনের কাজ সম্পন্ন করেছে। জমি প্রাপ্তি/হস্তান্তর, অধিগ্রহণের বিষয়ে যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হবে পরে।

আরডিপিপি মন্ত্রণালয়ে

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আরডিপিপি মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পর প্রজেক্ট স্টিয়ারিং কমিটির গত ১০ মার্চের সভায় সংশোধনের কাজ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।  একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ খাতে প্রয়োজন অনুসারে প্রকৃত মূল্য ও নির্মাণ কাজের ব্যয় প্রাক্কলন হালনাগাদ করে সংশোধিত ডিপিপি (আরডিপিপি তৈরি) প্রণয়ন করে তা অনুমোদন নেওয়ার কথা বলা হয়।  প্রজেক্ট স্টিয়ারিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব কাজ চলমান রয়েছে।

নিয়ম অনুযায়ী সংশোধন সম্পন্ন হলে মন্ত্রণালয় আরডিপিপি পাঠাবে পরিকল্পনা কমিশনে। তারপর সেখানে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি যাচাই-বাছাই করবে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনের জন্য আবার ফেরত পাঠাবে। পুনর্গঠিত আরডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে আবার পর্যালোচনা করে যদি যৌক্তিক মনে করে, তবে তা অনুমোদনের জন্য একনেকে পাঠানো হবে। অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হবে আরডিপিপি সংশোধন হলে।  তাই আরডিপিপি চূড়ান্ত না হতেই সম্ভাব্য আত্মসাতের অভিযোগ যৌক্তিক নয় বলে দাবি করেছেন প্রকল্প পরিচালক ড. মো আমিরুল ইসলাম।

প্রতিবেদনের যাদের অভিযুক্ত করা হয়

তদন্ত প্রতিবেদনের একটি অংশে আত্মসাতের আয়োজনের জন্য দায়ী করা হয় ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সার্ভেয়ারদের ও কানুনগোদের।  আর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) দায় এড়াতে পারেন না বলে উল্লেখ করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আমিরুল ইসলামকে দায়ী করা হয়েছে ব্যয় বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি পুঙ্খানুপঙ্খুরূপে না দেখার জন্য।  মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের সহকারী পরিচালক দিল আফরোজ বিনতে অছিরকে অভিযুক্ত করা হয়েছে ডিসি অফিস থেকে প্রাপ্ত সম্ভাব্য মূল্য প্রাক্কলনের প্রতিটি পৃষ্ঠায় প্রতিস্বাক্ষর করার জন্য।  যদিও দিল আফরোজ বলেন, ‘আমি প্রকল্পের কর্মকর্তা নই, ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয় প্রাক্কলনের কোনও পর্যায়েই আমি সম্পৃক্ত ছিলাম না। আমাকে প্রকল্পের সদস্য সচিব বলা হলেও এই প্রকল্পে সদস্য সচিব বলে কোনও পদ নেই। আর কোনও প্রকল্পে সদস্য সচিব থাকে বলেও আমার জানা নেই।’

ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সার্ভেয়ার তোফায়েল আহমেদকে অভিযুক্ত করা হয়েছে ঢাকার ছয়টি প্রকল্পের প্রাক্কলন প্রস্তুত করেছেন এবং মূল্য তালিকায় স্বাক্ষর করেছেন এবং সেই তালিকাই আরডিপিপিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, সে জন্য। 

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সার্ভেয়ার মো. ইকবাল হোসেন, সার্ভেয়ার মো. বশিরউল্লাহ এবং কানুনগো আতিকুর রহমান মজুমদারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে নালা শ্রেণির জমিকে বাণিজ্যিক শ্রেণি দেখিয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে প্রায় ৩০ কোটি টাকা অতিরিক্ত সম্ভাব্য প্রাক্কলন তৈরির জন্য।

প্রকল্প পরিচালকের বক্তব্য

অর্থ আত্মসাতের আগাম পরিকল্পনার কথা বলা হলেও প্রকল্প পরিচালক অর্থ আত্মসাৎ করেননি বলে বলে উল্লেখ করা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে।  অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রকল্প কর্মকর্তা ড. মো আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘গত ১০ মার্চ প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটি প্রকল্পের সভায় অধিগ্রহণ বাবদ সম্ভাব্য প্রাক্কলন সম্বলিত ডিপিপি সংশোধনের সকল কার্যক্রম স্থগিত করে। ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন)।  তাছাড়া ভূমি অধিগ্রহণ নীতিমালা অনুযায়ী গাছপালার মূল্য নির্ধারণ করবে বনবিভাগ এবং ঘরবাড়ি বা স্থাপনার চূড়ান্ত মূল্য নির্ধারণ করবে গণপূর্ত বিভাগ। অধিগ্রহণযোগ্য আটটি প্রকল্পের জমির কোনটিই এখন পর্যন্ত মূল নির্ধারণ পর্যায়ে যায়নি। সে ক্ষেত্রে সম্ভাব্য দুর্নীতির পরিকল্পনার বিষয়টি অযৌক্তিক নয় কি?’

নারায়ণগঞ্জ জেলার খোদ্দঘোষপাড়া মৌজার আর এস ৫২৫ দাগ নম্বরের নালা জমি বাণিজ্যিক হিসেবে দেখানোর বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক ড. মো আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘খোদ্দঘোষপাড়া মৌজার অধিগ্রহণের তালিকায় থাকা জমির দাগ সূচির মধ্যে আরএস ৫২৫ নম্বরের কোনও জমি অন্তর্ভুক্ত নেই।’

জমি অধিগ্রহণের সম্ভাব্য প্রাক্কলনের আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ ২ শতাংশ  (১ কোটি ৯৮ লাখ) টাকাও বেশি ধরা হয়েছে উল্লেখ করা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে। এ প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক বলেন, জমি অধিগ্রহণ ম্যানুয়াল ১৯৯৭ অনুযায়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় যেকোনও জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ ২ শতাংশ টাকা কর্তন করে। তা কীভাবে প্রকল্প পরিচালকের দুর্নীতি হতে পারে?

এই প্রকল্পে এ পর্যন্ত মোট ব্যয় হয়েছে ১৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, অথচ ৩০০ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছে যা কল্পনাপ্রসূত বলে উল্লেখ করেন প্রকল্প পরিচালক।

Football news:

Mourinho on 0:0 with Chelsea: if anyone should have won, it was Tottenham. The players in the dressing room are not happy and it's fantastic
Lampard on 0:0 with Tottenham: Chelsea did enough to win. I'm glad we didn't miss out
Pape Bouba Diop, the author of Senegal's goal against France at the 2002 world Cup, has died. He was 42 years old
Langle injured his ankle in Barca's game with Osasuna. 21-year-old Minghesa is the only Central defender without injuries
De Gea injured his leg when he hit the post. He can return to the game against PSG on Wednesday
Cavani was the second to score 3 (2+1) points for Manchester United, coming on as a substitute in the Premier League. Solskjaer did poker in 1999
Antoine Griezmann: Barcelona want to be Champions. The path will not be easy