logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo logo
star Bookmark: Tag Tag Tag Tag Tag
Bangladesh

কেন ফেল করলো ঋষিপল্লির ৩০ শিক্ষার্থী?

শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মানববন্ধনযশোরের কেশবপুরের বালিয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে এবারের পিইসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ঋষিপল্লির প্রায় ৩০ শিক্ষার্থী ফেল করেছে। এসব শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও বাংলাদেশ দালিত পরিষদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক ঋষিপল্লির শিশুদের অবজ্ঞা করেন। তারা শিশুদের সঠিকভাবে পাঠদান না করিয়ে, বিদ্যালয় পরিষ্কারের কাজ করান বলেই তারা ফেল করেছে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান শিক্ষক।

রবিবার (১২ জানুয়ারি) সকালে দলিত পরিষদ, যশোর জেলার ব্যানারে এক মানববন্ধনে অভিযোগ করা হয়, স্কুলটির প্রধান শিক্ষক খাদিজা ঋষিপল্লির শিক্ষার্থীদের দিয়ে বাথরুম পরিষ্কার করান। মাঠের ময়লা পরিষ্কারসহ নানা কাজ করানো হয়। তাদের পড়াশোনা না করারও পরামর্শ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়। শতাধিক নারী-পুরুষ ও শিশু মানববন্ধনে অংশ নেয়।

মানববন্ধনে দলিত পরিষদের নেতাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বক্তৃতা করেন জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাধারণ সম্পাদাক অ্যাডভোকেট মাহমুদ হাসান বুলু, যুবমৈত্রীর জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সুকান্ত দাস, জেলা দলিত পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিপুল দাস প্রমুখ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক ঋষিপল্লির শিশুদের পড়ালেখা করে কোনও লাভ নেই বলে নানা সময় মন্তব্য করেন। মুচিপাড়ার ছেলে বলে প্রধান শিক্ষক তাদের অবজ্ঞা করেন।

তবে প্রধান শিক্ষক খাদিজা বলেন, ‘তাদের অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। মূলত ওই ছেলেমেয়েদের বেশিরভাগই পরীক্ষায় ফেল করায় এবং নতুন ক্লাসে না উঠানোয় এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।’

প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থীর ফেলের বিষয়ে শিক্ষকদের কোনও দায় আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান শিক্ষক বলেন, `ঋষিপল্লির এসব শিক্ষার্থীদের বেশির ভাগই অন্য স্কুল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে আমাদের স্কুলে ভর্তি হয়েছে। ভর্তির সময় তারা নিজেদের নামও ঠিক মতো লিখতে পারতো না। তাদের ভর্তি করাতে না চাইলেও অভিভাবকদের অনুরোধে ভর্তি করি। আমাদের কোনও দায় নেই সে কথা বলছি না। তবে, শিক্ষার্থীদের ঠিকমতো পড়ালেখা না করা এবং অভিভাবকদের অবহেলা অনেকাংশেই তাদের ফেলের জন্য দায়ী।’

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক দিপ্তী রায় বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে, সেগুলো মোটেও ঠিক নয়। ফেল করা শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই এক ক্লাসে দুই বার করে রয়েছে। অন্য স্কুল থেকেও টিসি নিয়ে এসে এখানে ভর্তি হয় কয়েকজন। এবার তাদের মধ্যে পাস করেছে ১৮ জন। ফেল করেছে ৩০ জনের মতো। টিসি নিয়ে আসা শিক্ষার্থীরা অন্য স্কুল থেকে ফেল করেই এসেছিল। আমরা অভিভাবকদের অনুরোধ করেছিলাম, তারা কেন ফল খারাপ করছে, তা দেখে যাওয়ার জন্য। কিন্তু তারা আসেননি।’

এ ব্যাপারে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও )নুসরাত জাহান বলেন, ‘এমন একটি অভিযোগ আমি পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Themes
ICO