Bangladesh
This article was added by the user . TheWorldNews is not responsible for the content of the platform.

‘মালয়েশিয়ান ফ্লাইটে কোনো বোমা পাওয়া যায়নি’

মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমানে কোনো ধরনের বোমা পাওয়া যায়নি। বুধবার দিবাগত রাতে তল্লাশি শেষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক এএইচ এম তৌহিদুল আহসান এমনটাই জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমানে কোন ধরনের বোমা পাওয়া যায়নি। মালয়েশিয়ার একটি নম্বর থেকে তথ্য পাওয়ার পর আমরা বিমানবন্দরে অবতরণ করা মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সটি তল্লাশি প্রস্তুতি সম্পন্ন করি। তারই অংশ হিসেবে বিমানবাহিনীর বোম ডিসপোজাল ইউনিট, এপিবিএন, ফায়ার সার্ভিস, র‌্যাব, পুলিশসহ সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে বিমানবন্দর এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। এরপরই উড়োজাহাজ থেকে একে একে ১৩৫ জন যাত্রীকে বের করে আনার পর উড়োজাহাজ স্কাইনিং এর মাধ্যমে পুরো ভেতরে তল্লাশি করা হয়। এরপর যাত্রীদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ নিয়েও স্কাইনিং করাসহ সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। তবে কোনো যাত্রী কিংবা ব্যাগে বোমা বা বোমাসদৃশ্য কিছু পাওয়া যায়নি। রাত ১ টার পর অভিযান সম্পন্ন হয়।’

পরিচালক বলেন, ‘রাত ১টার দিকে সর্বশেষ লাগেজ স্ক্যান করি। সেখানেও কিছু পাইনি। বোম রিসপোজেবল ইউনিট ডিক্লেয়ার করেছে, বিমানে কোনো বোমা নেই। এরপর বিমানটি উড্ডয়নের জন্য ক্লিয়ারেন্সে পাঠানো হয়।’

তিনি বলেন, ‘এপিবিএন, ডগ স্কোয়াড, সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী, ডিজিএফআই, র‌্যাব সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই তাদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য। সর্বশেষ এভিয়েশন সিকিউরিটির সকলকেও ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাই।’

‘এয়ারপোর্ট টাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ ধন্যবাদ জানাই র‌্যাবকে। তারা আমাদেরকে সবার আগে বোমের খবর দিয়েছে। যদিও পরবর্তীতে কোনো বোম পাওয়া যায়নি। তারপরও আমরা বিষয়টিকে অতীব গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি। এখন অপারেশন শেষ হয়েছে। আমরা কোনো কিছু পাইনি। বিমানের ১৩৫ জন যাত্রীর সবাই ভালো ও নিরাপদে আছেন।’ যোগ করেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘তল্লাশি অভিযানে কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি। ১৩৫ যাত্রীর মধ্যে বাংলাদেশি ১৩৪ জন, ১ জন মালয়েশিয়ার নাগরিক আছেন। তবে সেখানে পাকিস্তানের কোনো নাগরিককে পাওয়া যায়নি।’