Bangladesh

যে বিরল কৃতিত্বের অধিকারী শুধু ব্যারিস্টার রফিকই ছিলেন

সদ্য প্রয়াত সুপ্রিম কোর্টের বর্ষীয়ান আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক কাজ করেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে। এছাড়াও কাজ করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, এরশাদ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে।

এক-এগারোর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুই নেত্রীর দুঃসময়ে তাদের পাশে দাঁড়ান তিনি। অকুতোভয়ে তাদের জন্য আইনি লড়াই পরিচালনা করেন। ওই সময় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রায় সব প্রভাবশালী নেতার আইনজীবীও ছিলেন তিনি। আবার তাদের অপকর্মের সমালোচনা করতেও ছাড়েননি। সব সময় উচিত কথা বলতেন। কখনো কারো রক্তচক্ষুকে ভয় পাননি ব্যারিস্টার রফিক-উল হক।

দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন প্রয়াত স্বনামধন্য আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক উল হক। তিনি একাধারে যেমন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রতহমানের পক্ষে আইনি লড়াই করেছেন, তেমনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ারর পক্ষেও আইনজীবী হিসেবে লড়েছেন। দেশের ইতিহাসে ও আইন পেশায় এমনটি বিরল। বাংলাদেশের আর কোনো আইনজীবীর ক্ষেত্রেও এমন নজির নেই।

নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন সম্পর্কে ব্যারিস্টার রফিক উল হক জানিয়েছিলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত করে আনতে পেরেছি। তার কন্যা শেখ হাসিনাকেও ওয়ান-ইলেভেনের সময় জেল থেকে মুক্ত করে এনেছি। আবার রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়াকেও জেল থেকে মুক্ত করতে পেরেছি। এটাই বড় পাওয়া। এখন আর কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই।’

২০০৭ সালের সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। কিছুদিন যেতে না যেতেই এ দু’জনের পক্ষেই আইনি লড়াই করেন ব্যারিস্টার রফিক। শুধু এ দু’জনেরই নয়, আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিম, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আবদুল জলিলসহ অনেকের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন তিনি। ওই সময় গ্রেফতার হওয়া ব্যবসায়ী নেতাদের পক্ষেও মামলা পরিচালনা করেন তিনি।

ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ১৯৩৫ সালের ২ নভেম্বর কলকাতার সুবর্ণপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯০ সালের ৭ এপ্রিল থেকে একই বছরের ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা তথা অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। তিনি ছিলেন রাষ্ট্রের ষষ্ঠ প্রধান আইন কর্মকর্তা (অ্যাটর্নি জেনারেল)।

১৯৫৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক, ১৯৫৭ সালে দর্শন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ১৯৫৮ সালে এলএলবি পাস করেন। ১৯৬২ সালে যুক্তরাজ্য থেকে বার এট ল’ সম্পন্ন করেন। ১৯৬৫ সালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে এবং ১৯৭৩ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে আইন পেশা শুরু করেন তিনি। বর্ণাঢ্য জীবনে আইন পেশায় দীর্ঘ প্রায় ৬০ বছর পার করেছেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক।

অর্থসূচক/কেএসআর

Football news:

Lopetegui about 0:4 with Chelsea: They deserved to win, but the gap in the score was excessive
Premier League clubs will no longer be able to sign players under 18 due to Brexit
Pirlo about 3:0 with Dynamo Kiev: I'm happy. Juve must always play to win
Giroud on possible departure from Chelsea: Let me enjoy the win, I scored 4 goals. Then let's see
CSKA's last home game in the Europa League. Finally win?
Casillas-Ronaldo: just 750 goals? You can do better 😏
PSG President on 3:1 with Manchester United: We are fighting for the Champions League and always show ourselves in important moments