Bangladesh
This article was added by the user . TheWorldNews is not responsible for the content of the platform.

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর কার্যক্রম বন্ধ হচ্ছে

ucb stock regular

শীগ্রই আংশিকভাবে বন্ধ হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর কার্যক্রম। কারণ দেশটির হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারকে অর্থায়ন করার যে বিল আনা হয়েছিল, রিপাবলিকানরা তা বাতিল করেছে।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর কার্যক্রম যাতে বন্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতে সরকারকে তহবিল জোগানোর মেয়াদ ৩০ দিন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিল আনা হয়েছিল হাউসে। কিন্তু সেই বিল ২৩২-১৯৮ ভোটে পরাজিত হয়েছে। সেই বিলে রিপাবলিকানদের পছন্দ অনুযায়ী ব্যয় হ্রাসের পাশাপাশি অভিবাসন সীমিত করার প্রস্তাব ছিল। সে কারণে ডেমোক্র্যাট নিয়ন্ত্রিত সিনেটে এটি পাস হওয়ার সম্ভাবনাও ছিল খুবই কম।

হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। কিন্তু সেখানে এই বিল পাস না হওয়ার কারণে এখন শাটডাউন এড়ানোর পথ নেই বলেই মনে হচ্ছে। এতে জাতীয় পার্ক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ৪০ লাখ কেন্দ্রীয় কর্মীর বেতন-ভাতা পরিশোধ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বন্ধ হয়ে যেতে পারে আর্থিক খাতের নজরদারি থেকে বৈজ্ঞানিক গবেষণার তহবিল।

cwt

ভোটাভুটির পর হাউসের স্পিকার কেভিন ম্যাককার্থি বলেন, যেসব রক্ষণশীল নীতির কারণে ডেমোক্র্যাটরা বিচ্ছিন্ন বোধ করছেন, সেগুলো ছাড়া এই তহবিলের মেয়াদ সম্প্রসারণের বিল এখনো পাস হতে পারে। কিন্তু এরপর কী হবে, সে বিষয়ে কিছু বলতে তিনি রাজি হননি। শনিবার সেখানে আরও ভোটাভুটি হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
হাউস স্পিকার ম্যাককার্থি বলেন, হাল ছেড়ে দেওয়াই কেবল ব্যর্থতা।

LankaBangla securites single page

এদিকে সিনেট আবার সময়মতো কাজ করবে কি না, তা–ও পরিষ্কার নয়। আজ শনিবার বিকেলে সিনেটে দ্বিদলীয় বিল উত্থাপিত হওয়ার কথা, যেখানে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত এই সরকারকে তহবিল জোগানোর কথা বলা হয়েছে। কিন্তু প্রক্রিয়াগত বাধার কারণে আগামী মঙ্গলবারের আগে চূড়ান্ত ভোট না–ও হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জেনেট ইয়েলেন বলেছেন, সরকারি দপ্তরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এতে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও শিশুদের জন্য পরিচালিত কর্মসূচির গতি কমে যেতে পারে। সেই সঙ্গে থমকে যেতে পারে বড় অবকাঠামোগত প্রকল্পের গতিও।

এবারও শাটডাউন হলে তা হবে এক দশকের মধ্যে চতুর্থ শাটডাউন। মাত্র চার মাস আগে জাতীয় ঋণসীমা বৃদ্ধি নিয়ে দেশটির প্রধান দুই রাজনৈতিক দল যেভাবে পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থানে চলে গিয়েছিল, তখনো এই শাটডাউনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। তখন তা এড়ানো গেলেও এর জেরে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণমানে প্রভাব পড়েছে—ক্ষুণ্ন হয়েছে দেশটির ভাবমূর্তি।

অর্থসূচক/এএইচআর