Bangladesh

দৈনিক মৃত্যু আবার বাড়ছে

করোনাভাইরাস। ছবি: রয়টার্সদেশে করোনাভাইরাসে নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার ছুঁয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে তিন হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে। টানা বেশ কিছুদিন কমার পর আবার দৈনিক মৃত্যু বাড়তে শুরু করেছে।

পবিত্র ঈদুল আজহার আগে–পরে করোনার পরীক্ষা কমে যাওয়ায় দৈনিক নতুন রোগী শনাক্তের সংখ্যা কমে এসেছিল। একই সঙ্গে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও কমতির দিকে দেখা গিয়েছিল। দুই দিন ধরে সেটা আবার বাড়ছে। এই দুই দিন মৃত্যুর সংখ্যা ৪০–এর ওপরে ছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ৩১ জুলাই থেকে গত ১২ দিনে মাত্র এক দিন মৃত্যু ৪০–এর ওপরে ছিল। বাকি সব দিন দৈনিক মৃত্যু ৪০–এর নিচে ছিল। এর মধ্যে চার দিন দৈনিক মৃত্যু ছিল ৩০–এরও কম।

গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে করোনায় আক্রান্ত আরও ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট ৩ হাজার ৫৫৭ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করল সরকার।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৩ হাজার ১৬২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৬১৭ জনের মধ্যে সংক্রমণ পাওয়া গেছে। সংক্রমণ শনাক্তের হার ছিল ১৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার ১১৫। এর মধ্যে মোট সুস্থ হয়েছেন মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৭১ জন।

দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বিবেচনায় করোনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩২ শতাংশ। আর সুস্থতার হার ৫৭ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয়। ক্রমান্বয়ে মহামারি আকারে এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। দুই মাসের মধ্যে চীন সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এলেও অনেক দেশে ছয়-সাত মাসেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বাংলাদেশে সরকারিভাবে ৮ মার্চ সংক্রমণ শনাক্তের কথা ঘোষণা করা হয়। এখন চলছে সংক্রমণের ষষ্ঠ মাস। এখনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে না।

শুরুর দিকে বিদেশফেরত ও তাঁদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে সংক্রমণ সীমিত ছিল। এখন সেটা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারি ছুটি বা কার্যত লকডাউন পরিস্থিতি পুরোপুরি তুলে দেওয়ার পর গত জুন মাসে পরিস্থিতি তীব্র আকার নিতে শুরু করে। শুরু থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে পরীক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে আসছে। বাংলাদেশে যখন রোগী দ্রুত বাড়ছিল
ঠিক তখন জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে নিয়ন্ত্রণমূলক সিদ্ধান্তের কারণে পরীক্ষা কমে আসে। জুনে প্রতিদিন ১৫ থেকে ১৮ হাজার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। জুলাইয়ে সেটা ১৪ হাজারের নিচে নেমে আসে। এখন প্রতিদিন ১০ থেকে ১৩ হাজারের মতো নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫তম। বাংলাদেশের ঠিক ওপরের স্থানে আছে পাকিস্তান। তবে সেখানে ১০ দিন ধরে দৈনিক নতুন রোগী শনাক্তের সংখ্যা হাজারের নিচে নেমে এসেছে। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৮৬ হাজারের বেশি। দুই দেশের সংক্রমণচিত্র থেকে বোঝা যায়, শিগগিরই মোট আক্রান্তের সংখ্যায় পাকিস্তানকে পেছনে ফেলবে বাংলাদেশ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পবিত্র ঈদুল আজহাকেন্দ্রিক পশুর হাটে লোকসমাগম ও শহর থেকে গ্রামে যাতায়াতে যে লোকসমাগম হয়েছে, তাতে সংক্রমণঝুঁকি আরও বেড়েছে। তার প্রভাব ইতিমধ্যে দেখা যাচ্ছে। আগামী সপ্তাহ থেকে নতুন রোগী শনাক্ত ও মৃত্যু আরও বাড়তে পারে।

Football news:

Godin will terminate his contract with Inter and move to Cagliari (Fabrizio Romano)
Wolverhampton made red and green uniforms to make the 12 Portuguese players at the club feel good. New level of care 🔴 🟢
Jose Mourinho: I have too many players at Tottenham. I don't like it
FIFA allowed players to change the national team if they played one official match other than the world Cup
Tiago is still in Liverpool: he came for a new challenge, and Klopp won't even have to sell anyone
Tiago on moving to Liverpool: I Want to win as many trophies as possible. I will give my heart to the field
Ex-agent of Levandovsky sued the player's company and demands about 9 million euros